বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধ,সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি

বিশেষ প্রতিনিধি :

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের মোঃ আব্দুল কাদির (খইনছা শেখ) তার জমি নিয়ে প্রতিবেশী ইব্রাহিম গংদের হামলা ও হুমকি প্রতিবাদে তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের জন্য দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে খইনছা শেখ জানান আমার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত ভূমিতে আমি গাছপালা লাগিয়ে ১৫/২০ যাবত বসবাস করে আসতেছি। কিন্তু কয়েকদিন আগে ইব্রাহিম সহ তাদের লোকজন আমার বসতভিটায় তাদের জমি আছে দাবি করে অন্যায় ভাবে জোরপূর্বক দখল এবং গাছ কেটে তাদের বলে দাবি করা মামলা চলমান নীচু ফসলি জমির সাথে মিশে ফেলার হুমকি দেয়।

আমি এ সকল হুমকি ও হয়রানি থেকে মুক্তি চাই। প্রশাসন সরজমিন পরিদর্শন করে এর আগেও প্রতিবেদন দিলেও তারা এগুলো না মেনে ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানি ও হুমকি দেয়। এর আগেও একাধিকবার এ জমি নিয়ে হামলা এবং হুমকি দিলে আমি বাধ্য হয়ে মামলা করি।

মামলা সূত্রে জানা যায়,বিগত ২২/০১/২০০৩ তারিখে ৫১৯ নং সাফ কাওলা দলিলমূলে ১৯-১/২শতাংশ সম্পত্তি বি.আর.এস ২১৭ খতিয়ানের মালিক খোদেজা খাতুন হইতে ক্রয় করিয়া স্বত্ববান মালিক হইয়া মোঃ আব্দুল কাদির (খইনছা শেখ) তথায় বাড়ীঘর নির্মান করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছিল। নালিশী তপছিলের সম্পত্তি বাড়ীর আঙ্গিনা রাখিয়া তথায় সুপারী গাছ, কাঠাল গাছ, জাম্বুরা গাছ, নীম গাছ, মেহগনি গাছ, নারিকেল গাছ সহ বিভিন্ন বনজ ও ফলজ গাছ লাগাইয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছিল।

ইতিমধ্যে আমি নীজ নামে সাবেক দাগে ১৩০ (IX-I)১০- ১১ জমা খারিজ মোকদ্দমা মূলে ৯৮৫ খতিয়ানে খাজনাদি পরিশোধ করি। আমি ময়মনসিংহ শহরে ষ্টেশন রোডে হোটেল ব্যবসা করি। প্রতিপক্ষনপর সাথে আমার বেনালিশী জোত নিয়া মামলা চলিয়া আসিতেছে। সেই বাংলা ১৪২৯ সালের ১০ পৌষ রোজ বৃহস্পতিবার আমি ময়মনসিংহ শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকাকালে সকাল অনুমান ১১ টায় তারা সকলে দাও, লাঠি, কুড়াল ও কোদাল ইত্যাদি মারাত্মক অস্ত্র সহ আমার নালিশী তপছিলের সম্পত্তিতে অর্জিত বিভিন্ন গাছ গাছড়া কাটিয়া নালিশী ভূমি জোরামূলে বেদখল করিয়া মাটি কাটিয়া উচু ভূমি নীচ করার চেষ্টা করে।

এলাকার মানুষের বাধার মুখে তারস বেদখল করিতে না পারিয়া চলিয়া যায় এবং যাওয়ার সময় হুমকি দিয়া যায় পরবর্তীতে আরও লোকজন নিয়া আমাকে সহ আমার লোকজনদেরকে খুন জখম করিয়া হইলেও আমার নালিশী তপছিলের সম্পত্তি বাড়ীর আঙ্গিনা জোরামূলে বেদখল করিয়া মাটি কাটিয়া নীচু ভূমির সাথে একীভূত করিবে। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করি এবং এই মামলা চলমান রয়েছে, যার মামলা নং -১৯৯১/২০২২ ইং। এই মামলার প্রেক্ষিতে ফুলবাড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্থানীয় নায়েবকে নিয়ে সরজমিন পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলো। কিন্তু ইব্রাহিম এই প্রতিবেদন না মেনে ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে বার বার হামলা করে এবং হুমকি চালায়।

এ বিষয়ে হয়রানি ও হুমকি এবং হামলা বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com